নামের মতোই কিরণ ছড়াচ্ছেন জাকসুর ক্রীড়া সম্পাদক কিরণ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়াঙ্গন দীর্ঘদিন ধরেই শিক্ষার্থীদের প্রাণচাঞ্চল্যের অন্যতম কেন্দ্র। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা, নতুন উদ্যোগ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং খেলোয়াড়দের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর নানা কার্যক্রমে নতুন করে আলোচনায় এসেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়াঙ্গন।
ALL NEWS


জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়াঙ্গন দীর্ঘদিন ধরেই শিক্ষার্থীদের প্রাণচাঞ্চল্যের অন্যতম কেন্দ্র। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা, নতুন উদ্যোগ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং খেলোয়াড়দের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর নানা কার্যক্রমে নতুন করে আলোচনায় এসেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়াঙ্গন।
দায়িত্ব নেওয়ার পর ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলোর পাশাপাশি বেশ কিছু নতুন উদ্যোগ নিয়েছেন জাকসুর ক্রীড়া সম্পাদক কিরণ। প্রতিযোগিতা আয়োজন থেকে শুরু করে নারী ক্রীড়ার প্রসার, ফিটনেস কার্যক্রম, বিকেএসপির সঙ্গে সহযোগিতা এবং ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়ন—বিভিন্ন ক্ষেত্রেই নেওয়া হয়েছে একাধিক পদক্ষেপ।
তিন বছর পর ফিরল আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা
দীর্ঘ তিন বছর বন্ধ থাকার পর পুনরায় চালু হয়েছে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলোয়াড়দের জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণের সুযোগ বাড়াতে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
একই সঙ্গে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে বেশ কয়েকটি কার্যক্রম আয়োজন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে তিন দিনের ক্রিকেট সিরিজ এবং মুক্তমঞ্চে সেলফ-ডিফেন্স প্রদর্শনী।
শিক্ষার্থীদের ক্রীড়া অভিজ্ঞতা বাড়ানোর জন্য একদিন বিকেএসপিতে গিয়ে অ্যাথলেটিকস ট্র্যাকে দৌড়ানো এবং সাঁতারের সুযোগও তৈরি করা হয়।
মাসজুড়ে খেলার আমেজ
জুন ও জুলাই মাসজুড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে বড় পরিসরে খেলা দেখানোর আয়োজন করা হয়। মুক্তমঞ্চ, সেন্ট্রাল ফিল্ড, জাকসুর সামনের অংশ, বটতলা এবং রবীন্দ্রনাথ হলের মাঠসহ বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীদের জন্য এই আয়োজন করা হয়।
ক্যাম্পাসে শুধু খেলোয়াড়দের নয়, সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যেও খেলাধুলা নিয়ে আগ্রহ ও অংশগ্রহণ বাড়ানোর লক্ষ্যেই এসব আয়োজন করা হয়েছে।
নারী ক্রীড়ায় নতুন সংযোজন
বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় অংশগ্রহণ বাড়ানোর ক্ষেত্রেও নেওয়া হয়েছে নতুন উদ্যোগ।
প্রথমবারের মতো আয়োজন করা হয়েছে আন্তঃঅনুষদ নারী হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতা। পাশাপাশি আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী ফুটবল দল।
নারী ক্রীড়াকে আরও সক্রিয় ও দৃশ্যমান করার ক্ষেত্রে এই উদ্যোগগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ক্রিকেটে নতুন উদ্যোগ, অবকাঠামোতেও নজর
বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিকেট অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য প্রায় পাঁচ লাখ টাকা ব্যয়ে ক্রিকেট বক্স নেট স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রায় এক লাখ ৯০ হাজার টাকা ব্যয়ে পোল ভল্টের সরঞ্জাম যুক্ত করার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
আন্তঃবিভাগ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় নতুনভাবে চালু করা হয়েছে ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ পুরস্কার।
ছোট ছোট স্বীকৃতিও খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স ও প্রতিযোগিতার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে ভূমিকা রাখে—এমন ভাবনা থেকেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
‘Run With Kiron’: মাঠের বাইরেও ফিটনেস চর্চা
শুধু প্রতিযোগিতা আয়োজনের মধ্যে কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখেননি কিরণ। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ফিটনেস চর্চায় উৎসাহিত করতে নেওয়া হয় ‘Run With Kiron’ প্রকল্প।
নভেম্বরের ১ তারিখ থেকে শুরু হওয়া প্রকল্পটি ডিসেম্বর পর্যন্ত সক্রিয় ছিল। সপ্তাহে দুই দিন সকালে ছেলেদের জন্য ফিটনেস ও কন্ডিশনিং ট্রেনিং এবং মেয়েদের জন্য ইয়োগা ও মেডিটেশনের আয়োজন করা হয়।
এছাড়া ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ উপলক্ষে আয়োজন করা হয় ‘Victory Day Marathon’। প্রকল্পের আওতায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে ৫০০টি জার্সিও বিতরণ করা হয়েছে।
এ সময় আরও আয়োজন করা হয় জাকসু রান মে দিবস, জাকসু রান ৩৬ জুলাই এবং জাকসু রান ফেয়ারওয়েলের মতো কর্মসূচি।
ইশতেহারের প্রতিশ্রুতির কতটা এগোল?
দায়িত্ব গ্রহণের সময় কিরণের ইশতেহারে খেলোয়াড়দের একাডেমিক সুবিধা নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি ছিল।
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্বকারী ক্রীড়াবিদদের বৈধ কারণে ক্লাস, উপস্থিতি বা টিউটোরিয়াল মিস হলে তা পূরণের জন্য পৃথক নীতিমালা প্রণয়নের প্রস্তাব করা হয়।
সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, বিষয়টি ইতোমধ্যে একাডেমিক কাউন্সিলে অনুমোদিত হয়েছে। পরবর্তী ধাপে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এটি বাস্তবায়নের কথা রয়েছে।
ইনজুরি তহবিল ও চিকিৎসা সহায়তা
খেলোয়াড়দের জন্য ইনজুরি তহবিল গঠনের প্রতিশ্রুতিও ছিল ইশতেহারে।
তহবিল গঠন করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। কোনো খেলোয়াড় অসুস্থ বা আহত হলে বৈধ কারণ দেখিয়ে শারীরিক শিক্ষা বিভাগের পরিচালকের মাধ্যমে উপাচার্যের কাছে আবেদন করে প্রয়োজনীয় সহায়তা পাওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
ফিজিওথেরাপি সেবা নিশ্চিত করার বিষয়টিও এখনও প্রক্রিয়াধীন। এ জন্য দুটি পদ খালি রয়েছে। নিয়োগ সম্পন্ন হলে শিক্ষার্থীদের জন্য নিয়মিত ফিজিও সেবা চালুর সুযোগ তৈরি হবে।
ফিরতে পারে ‘Sports Blue’ সম্মাননা
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রীড়াবিদদের জন্য ‘Jahangirnagar Sports Blue’-এর মতো একটি সম্মাননা চালুর প্রতিশ্রুতিও ছিল।
এ বিষয়ে প্রশাসনের কাছে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, ১৬ ব্যাচের পর দীর্ঘদিন ধরে এই ধরনের সম্মাননা দেওয়া হয়নি। ফলে নতুন করে কমিটি গঠন করে বিষয়টি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
মাঠ ও ক্রীড়া অবকাঠামোতে পরিবর্তনের চেষ্টা
আধুনিক মাঠ ব্যবস্থাপনার জন্য দুটি ঘাস কাটার মেশিন আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সেন্ট্রাল ফিল্ড ও জিমনেসিয়ামে ফিল্টার পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে।
মাঠে পার্কিং নিয়ন্ত্রণ ও নির্দিষ্ট জোন তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে। তবে রাস্তা ও ফুটপাতসংক্রান্ত প্রকল্পের অগ্রগতির সঙ্গে এ পরিকল্পনার বাস্তবায়ন নির্ভর করছে।
ছাত্র ও ছাত্রীদের জন্য পৃথক ড্রেসিং রুম নিশ্চিত করার বিষয়টিও ইশতেহারে ছিল। মেয়েদের মাঠ ও ছেলেদের মাঠ চালু হওয়ার সঙ্গে পৃথক ড্রেসিং রুমের পরিকল্পনা রয়েছে।
এদিকে কেন্দ্রীয় মাঠে ড্রেসিং রুম নির্মাণের জন্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। তবে বাজেট অনুমোদন ও নির্মাণ প্রক্রিয়ার কারণে এটি সময়সাপেক্ষ হতে পারে।
‘Sports Science’ বিভাগ চালুর উদ্যোগ
বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘Sports Science’ বিভাগ চালুর বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে (ইউজিসি) প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্পোর্টস কমপ্লেক্সের কাজ শেষ হলে এ ধরনের একটি বিভাগ চালুর সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।
মেডিকেল টিমের পরিকল্পনা, বাস্তবতা এখনও ভিন্ন
স্পোর্টস ফিজিও, থেরাপিস্ট বা মেডিকেল টিম গঠনের বিষয়টিও ইশতেহারে ছিল। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) বা বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) মেডিকেল টিমের সঙ্গে সহযোগিতার পরিকল্পনাও করা হয়েছিল।
তবে বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনো এ ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার জন্য প্রয়োজনীয় কাঠামো তৈরি হয়নি।
বর্তমানে কোনো শিক্ষার্থী ব্যক্তিগতভাবে সমস্যায় পড়লে কিছু ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিসিবি ও বাফুফের বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।
আধুনিক জিম ও নিয়মিত প্রতিযোগিতা
বিশ্ববিদ্যালয়ের জিম আধুনিকীকরণের জন্য প্রায় ছয় লাখ টাকার সরঞ্জাম দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি বছরজুড়েই বিভিন্ন প্রতিযোগিতা আয়োজনের মাধ্যমে ক্রীড়াচর্চা সচল রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। আন্তঃঅনুষদ নারী হ্যান্ডবল, আন্তঃহল ব্যাডমিন্টন, ছাত্রীদের আন্তঃহল ক্রিকেট এবং ছাত্রদের ভলিবল প্রতিযোগিতা এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য।
খেলাধুলা শুধু মাঠেই নয়
ক্রীড়াকে শুধু মাঠের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে এর একাডেমিক ও পেশাগত দিক নিয়েও কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
ফিলোসফি বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে বিকেএসপি ও জাইকার সহযোগিতায় ‘Sports Ethics and Integrity’ এবং ‘Sports Management’ বিষয়ে সেমিনার আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ফিটনেস, কন্ডিশনিং, নিউট্রিশন এবং বিদেশে স্পোর্টস-সম্পর্কিত বিষয়ে উচ্চশিক্ষা ও ক্যারিয়ারের সুযোগ নিয়েও ভবিষ্যতে পাঠচক্র ও আলোচনা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
বিশেষ ক্রীড়াবিদদের জন্য নতুন উদ্যোগ
প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ক্রীড়াবিদদের জন্য আলাদা সুযোগ তৈরির বিষয়টিও ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত ছিল।
এ বিষয়ে প্যারা অলিম্পিকের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক বা এমওইউ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ ক্রীড়াবিদদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।
বেড়েছে ক্রীড়াখাতের বাজেট
ক্রীড়াখাতের বাজেট বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতির ক্ষেত্রেও অগ্রগতি হয়েছে।
আগের প্রায় ১৮ লাখ টাকা থেকে ক্রীড়াখাতের বাজেট বাড়িয়ে প্রায় ৩২ লাখ টাকা করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। বাড়তি এই বাজেট ভবিষ্যতে অবকাঠামো উন্নয়ন ও বিভিন্ন ক্রীড়া কার্যক্রম সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখতে পারে।
অ্যাথলেটিকস ট্র্যাকের স্বপ্ন এখনও অপেক্ষায়
ফেডারেশন বা মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় একটি পূর্ণাঙ্গ অ্যাথলেটিকস ট্র্যাক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।
এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও জমি ও মালিকানা-সংক্রান্ত জটিলতার কারণে পরিকল্পনাটি এখনো এগোয়নি।
তবে ভবিষ্যতে এসব জটিলতার সমাধান হলে পরিকল্পনাটি আবার সামনে আসতে পারে।
ক্রীড়াঙ্গনে ই-স্পোর্টসের সংযোজন
বর্তমান প্রজন্মের আগ্রহ বিবেচনায় ই-স্পোর্টসকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
ই-স্পোর্টস কমিউনিটি গঠনের উদ্যোগের পাশাপাশি কয়েকটি ল্যান টুর্নামেন্ট এবং ফোর-টু-ই-ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হয়েছে।
এর মাধ্যমে প্রচলিত খেলাধুলার পাশাপাশি নতুন ধরনের প্রতিযোগিতামূলক ক্রীড়ার ক্ষেত্রেও শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে।
ইশতেহারের বাইরে নতুন উদ্যোগ
সব মিলিয়ে দায়িত্বের সময়টিতে কিরণের কার্যক্রম শুধু নির্বাচনী ইশতেহারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি।
তিন বছর পর আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রতিযোগিতা চালু করা, বিকেএসপির সঙ্গে সহযোগিতা, নারী হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতা, নারী ফুটবল দলের অংশগ্রহণ, ‘Run With Kiron’, বিভিন্ন ম্যারাথন ও রান আয়োজন, শিক্ষার্থীদের জন্য জার্সি বিতরণ এবং বড় পরিসরে খেলা দেখানোর মতো বেশ কয়েকটি উদ্যোগ ছিল ইশতেহারের বাইরের।
অন্যদিকে ইশতেহারের প্রতিশ্রুতিগুলোর মধ্যে কিছু বাস্তবায়িত হয়েছে, কিছু প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় রয়েছে এবং কিছু দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হিসেবে এখনও বাস্তবায়নের অপেক্ষায়।
তবে প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতার এই পথচলায় একটি বিষয় স্পষ্ট—জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়াঙ্গনকে আরও সক্রিয়, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং আধুনিক করার চেষ্টা করেছেন তিনি।
নামের মতোই ক্রীড়াঙ্গনে কতটা কিরণ ছড়াতে পেরেছেন, তার মূল্যায়ন করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাই। তবে দায়িত্বের সময়জুড়ে ইশতেহারের গণ্ডির বাইরে গিয়েও নতুন কিছু উদ্যোগ যোগ করার চেষ্টা যে ছিল, তা অস্বীকার করার সুযোগ নেই।
→ All News

