দ্য ক্যাম্পাস ইনসাইডার্সক্যাম্পাস থেকে ক্যাম্পাসে
•সর্বশেষ
কিউএস এশিয়া র‍্যাঙ্কিং ২০২৭: দেশসেরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, শীর্ষ দশে আরও যারা•জাতিসংঘের ‘কপ-৩১’ জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন জাবির নাট্যতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী মো: মামুনুর রেজা•অফিস থেকে শেখ হাসিনার ছবি নামিয়ে আলোচনায় আসা জাবির অধ্যাপক শামীমা সুলতানা পিএসসির সদস্য নিযুক্ত•ক্যাম্পাসে অতিথি পাখির অভয়ারণ্য নিশ্চিতে কড়াকড়ি জাবি প্রশাসনের: বহিরাগত প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা•১ লাখ ১০ হাজার টাকার সিড ফান্ডিং পেলো জাবির নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগেরশিক্ষার্থীদের উদ্যোগ-LandCraft•কিউএস এশিয়া র‍্যাঙ্কিং ২০২৭: দেশসেরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, শীর্ষ দশে আরও যারা•জাতিসংঘের ‘কপ-৩১’ জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন জাবির নাট্যতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী মো: মামুনুর রেজা•অফিস থেকে শেখ হাসিনার ছবি নামিয়ে আলোচনায় আসা জাবির অধ্যাপক শামীমা সুলতানা পিএসসির সদস্য নিযুক্ত•ক্যাম্পাসে অতিথি পাখির অভয়ারণ্য নিশ্চিতে কড়াকড়ি জাবি প্রশাসনের: বহিরাগত প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা•১ লাখ ১০ হাজার টাকার সিড ফান্ডিং পেলো জাবির নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগেরশিক্ষার্থীদের উদ্যোগ-LandCraft•কিউএস এশিয়া র‍্যাঙ্কিং ২০২৭: দেশসেরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, শীর্ষ দশে আরও যারা•জাতিসংঘের ‘কপ-৩১’ জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন জাবির নাট্যতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী মো: মামুনুর রেজা•অফিস থেকে শেখ হাসিনার ছবি নামিয়ে আলোচনায় আসা জাবির অধ্যাপক শামীমা সুলতানা পিএসসির সদস্য নিযুক্ত•ক্যাম্পাসে অতিথি পাখির অভয়ারণ্য নিশ্চিতে কড়াকড়ি জাবি প্রশাসনের: বহিরাগত প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা•১ লাখ ১০ হাজার টাকার সিড ফান্ডিং পেলো জাবির নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগেরশিক্ষার্থীদের উদ্যোগ-LandCraft•কিউএস এশিয়া র‍্যাঙ্কিং ২০২৭: দেশসেরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, শীর্ষ দশে আরও যারা•জাতিসংঘের ‘কপ-৩১’ জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন জাবির নাট্যতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী মো: মামুনুর রেজা•অফিস থেকে শেখ হাসিনার ছবি নামিয়ে আলোচনায় আসা জাবির অধ্যাপক শামীমা সুলতানা পিএসসির সদস্য নিযুক্ত•ক্যাম্পাসে অতিথি পাখির অভয়ারণ্য নিশ্চিতে কড়াকড়ি জাবি প্রশাসনের: বহিরাগত প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা•১ লাখ ১০ হাজার টাকার সিড ফান্ডিং পেলো জাবির নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগেরশিক্ষার্থীদের উদ্যোগ-LandCraft•

উপায় প্রেজেন্টস ‘AI Dev Fest’-এর হ্যাকাথনে প্রথম রানার্সআপ জাবির ‘JU_MergeConflict’

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত ‘উপায় প্রেজেন্টস এআই ডেভ ফেস্ট ২০২৬’-এর জাতীয় এআই হ্যাকাথনে ১৩১টি বিশ্ববিদ্যালয়ের দলকে পেছনে ফেলে ১ম রানার্সআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই (৫২তম ব্যাচ) দলের ‘টিম জেউ_মার্জকনফ্লিক্ট’ (JU_MergeConflict)।

উপায় প্রেজেন্টস ‘AI Dev Fest’-এর হ্যাকাথনে প্রথম রানার্সআপ জাবির ‘JU_MergeConflict’

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ডিআইইউ সিপিসি কর্তৃক আয়োজিত ‘ইউএসবি প্রেজেন্টস এআই ডেভ ফেস্ট ২০২৬’-এর হ্যাকাথনে প্রথম রানার্সআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) টিম ‘JU_MergeConflict’। বিজয়ীরা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই ৫২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

গত ৬ ও ৭ অক্টোবর ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নিজস্ব ক্যাম্পাসে দুই দিনব্যাপী এই জাতীয় এআই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। দেশজুড়ে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ উদ্ভাবকদের নিয়ে আয়োজিত এই ফেস্টের মূল আকর্ষণ ছিল ‘এআই হ্যাকাথন’। এতে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (সাস্ট), ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, এআইইউবি এবং ডিআইইউসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ১৩১টি টিম অংশ নেয়।

কঠিন প্রতিযোগিতা শেষে সাস্ট (SUST)-এর টিম প্রথম স্থান এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের টিম ‘JU_MergeConflict’ প্রথম রানার্সআপ অর্জন করে। প্রতিযোগিতায় ৩য় থেকে ৬ষ্ঠ স্থান অর্জন করে স্বাগতিক ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির টিমগুলো।

বাস্তবমুখী ইন্ডাস্ট্রিয়াল সমস্যার এআই-ভিত্তিক সমাধান তৈরি করে বাজিমাত করা জাবিয়ান টিমের সদস্যরা হলেন—অনিন্দ্য সাহা, মো: মোক্তাদিরুল হক মারুফ এবং ত্বোয়াহা রহমান।

প্রতিযোগিতার অভিজ্ঞতা জানিয়ে টিম সদস্য অনিন্দ্য সাহা বলেন,

“তাত্ত্বিক জ্ঞানের বাইরে গিয়ে বাস্তব প্রযুক্তি এবং AI ভিত্তিক সফটওয়্যার এর পরিচিতি পাওয়া, এবং চিন্তার নতুনত্ব ও বিকাশের জন্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার বিকল্প নেই। দ্বিতীয় স্থানের থেকে আমাদের বড় পাওয়া ছিলো বর্তমান ইন্ডাস্ট্রিকে কাছ থেকে দেখতে পাওয়া।”

মারুফ তাঁর প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন,

“টাইট শিডিউলে নতুন নতুন প্রয়োজনীয় স্কিল শিখে সেটা অ্যাপ্লাই করে রিয়েল-ওয়ার্ল্ড ইন্ডাস্ট্রি প্রবলেম সলভ করতে পারা, এটাই ছিল আমার প্রকৃত অর্জন। আর সেই সমাধান আর আমার দক্ষতার স্বীকৃতি পাওয়া, সেটা ছিল বাড়তি পাওনা।”

কঠিন পরিশ্রমের পর এই সাফল্য প্রাপ্তিতে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে ত্বোয়াহা রহমান বলেন,

“আমরা ইদানীং এই প্রতিযোগিতাগুলোতে অনেক পরিশ্রম করেছি। এই প্রতিযোগিতায় সাফল্যকে সেই পরিশ্রমের স্বীকৃতি মনে হয়েছে।”

উল্লেখ্য, ৩ লাখ ৩৫ হাজার টাকার প্রাইজ পুলের এই এআই ফেস্টে এআই হ্যাকাথন ছাড়াও প্রম্পট ব্যাটল, ভাইব কোডিং ও ডেটাথনের মতো প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। বাস্তব প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে দেশের তরুণ প্রজন্মের এমন কৃতিত্বপূর্ণ পারফরম্যান্স ভবিষ্যতে টেক ইন্ডাস্ট্রিতে বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন আয়োজকরা।